হাতিমাথা

হাতিমাথা


বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম পাহাড় ঘেরা ইউনিয়ন পেরাছড়া। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার এই পেরাছড়া ইউনিয়নের একটি পাহাড়ি পথকে মায়ং কপাল বা হাতিমুড়া নামে ডাকা হয়। স্থানীয়দের কাছে হাতিমাথা খ্যাত এই স্থানের চাকমা নাম ‘এদো সিরে মোন’। আবার অনেকের কাছে এটি স্বর্গের সিঁড়ি হিসেবে পরিচিত। বহু নামের অধিকারী হাতিমাথা পাহাড়ের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে ১৫ গ্রামের বাসিন্দা চলাচল করে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২০৮ ফুট উঁচু এই পাহাড় নানা জনগোষ্টির মোট ১৫ টি গ্রাম সযত্নে আগলে রেখেছে। সদর উপজেলা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাঙ্গামুড়া, বাদলছড়া, মাখণ তৈসা পাড়া,কিনাপা পাড়া,হাজা পাড়া,বগড়া পাড়া,কেশব মহাজনপাড়া, সাধুপাড়া, কাপতলাপাড়া এর অন্তর্ভুক্ত। গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধা করতে ২০১৫ সালের ১৩ জুন চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ৩০৮ ফুট লম্বা ৩০০ ধাপের লোহার সিঁড়ি প্রস্তুত করে দেন। পাহাড়ের চূড়া থেকে দূরের খাগড়াছড়ি শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। পাহাড়ি বনের মাঝ দিয়ে নির্মিত সিঁড়ির নিচ থেকে উপরের দিকে সিঁড়ির প্রান্ত দেখা যায় না। দেখে মনে হয় যেন সিঁড়ির ধাপগুলো আকাশেরও উপরে উঠে গেছে। আর তাই সিঁড়ি নির্মাণের পর থেকে স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছে পাহাড়ের নাম প্রচলিত হয় ‘স্বর্গের সিঁড়ি’ নামে।


ইতিহাস

অদ্ভুত আকৃতির এই পাহাড় প্রাকৃতিকভাবেই গঠন পেয়েছে হাতির মাথার মতন। যা থেকেই এর নামকরণ করা হয়েছে ‘হাতিমাথা’ বা ‘হাতিমুড়া’। ‘মায়ং কপাল’ নামের উৎপত্তি এখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ত্রিপুরাদের কাছ থেকে এসেছে। তাদের ভাষায় ‘হাতি’ বোঝাতে ‘মায়ং’ এবং ‘মাথা’ বোঝাতে ‘কপাল’ শব্দ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি নামে পরিচিত এই পাহাড়টি। যেমন- চাকমাদের কাছে এটি ‘এঁদো সিরে মোন’।

কখন যাবেন
বছরের পুরো সময়টা জুড়েই ভ্রমণ পিপাসুদের আনাগোনা এখানে লেগেই থাকে। তবে গ্রীষ্মকালে হাতিমাথা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলে চারপাশ রুক্ষতার কারণে। যা স্বাভাবিকভাবেই ঝিরিপথ পাড়ি দেয়া ক্লান্তিকর করে তোলে। অন্য দিকে বর্ষায় এখানকার প্রতিটি প্রাকৃতিক উপাদান যেন তার নিজস্ব রঙ ফিরে পায়। এদিকে শীতকালে পুরো এলাকা কুয়াশায় ঢেকে সব রঙ হারিয়ে ফেলে। কিন্তু এই সময়ে ট্রেইল ধরে এগোনো আর সিঁড়ি বেয়ে ওঠা তুলনামুলক সহজ হয়ে যায়। তাছাড়া বনের মাঝ দিয়ে উঠে যাওয়া সিঁড়ি ভয়ংকর লাগলেও আসলে বিপজ্জনক নয়। সব মিলিয়ে বলা যায় বর্ষাকাল থেকে শীতকাল সময় পর্যন্ত হাতিমাথা যাওয়ার উত্তম সময়।

বিশেষ সতর্কতা ও পরামর্শ
  • জামতলী যাত্রী ছাউনী থেকে হাতিমাথা পাহাড় পৌছতে ঘন্টা দেড়েক ট্রেকিং করতে হয় বলে ট্রেকিং মোটামুটি কষ্টের। ছোট খাটো পাহাড় পাড়ি দিতে হবে। সাথে করে অবশ্যই পানি এবং শুকনা খাবার নিয়ে যাবেন।
  • প্রথমবার ভ্রমণে স্থানীয় গাইড নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • স্থানীয় আদিবাসীদের সাথে খারাপ আচরণ করবেন না।
  • অনুমতি ছাড়া আদিবাসীদের ছবি বা ভিডিও করবেন না।
  • পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করবেন না।
  • গ্রিপের জুতা ব্যবহার করুন।
  • সন্ধ্যার আগে খাগড়াছড়ি শহরে চলে আসবেন।

হাতিমাথা বা হাতিমুড়া খাগড়াছড়ি জেলা হওয়ায় আপনাকে আগে খাগড়াছড়ি যেতে হবে।

ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায়

বাস ঢাকার বাসস্টান্ড সমূহ:-

  • আব্দুল্লাহপুর
  • আরামবাগ
  • পান্থপথ
  • ফকিরাপুল
  • সায়েদাবাদ
  • গাবতলী
  • কলাবাগান
বাস সমূহ:-

  • সেন্টমার্টিন হুন্ডাই (রবি এক্সপ্রেস)
  • শ্যামলী পরিবহণ
  • সৌদিয়া পরিবহণ
  • হানিফ পরিবহণ
  • শান্তি পরিবহণ
  • এস আলম সার্ভিস
  • হিমাচল পরিবহণ
  • লন্ডন এক্সপ্রেস
  • মিয়ামি পরিবহণ
  • দেশ ট্রাভেল
  • গ্রীন লাইন
  • ইকোনো সার্ভিস
  • রয়্যাল পরিবহণ
  • ঈগল পরিবহণ
  • সেঁজুতি পরিবহণ
  • টি আর ট্রাভেলস
  • রিফাত পরিবহণ
  • লাল সবুজ পরিবহণ
  • ইম্পেরিয়াল স্লিপার কোচ
  • রিল্যাক্স ট্রান্সপোর্ট

(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল)

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

রাজশাহী থেকে যাওয়ার উপায়

বাস বাস স্টান্ডসমূহ:-

  • রাজশাহী বাস স্টান্ড
  • শিরুল
  • কাজলা
  • বিনোদপুর
  • বিহাশ মোড়
  • কাটাখালী
  • বানেশ্বর
  • পুটিয়া

বাস সমূহ:-

  • সোনিয়া পরিবহণ
  • শান্তি পরিবহণ

(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল)

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

রংপুর থেকে যাওয়ার উপায়

বাস বাস স্টান্ডসমূহ:-

  • ঢাকা (কামার পাড়া) বাসস্টান্ড
  • মিঠাপুকুর
  • শঠিবাড়ি

বাস সমূহ:-

  • শান্তি পরিবহণ

(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল)

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

সিলেট থেকে যাওয়ার উপায়

বাস বাস স্টান্ডসমূহ:-

  • সিলেট বাসস্টান্ড
  • কদমতলী
  • হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর
  • সোভানি ঘাট

বাস সমূহ:-

  • শান্তি পরিবহন
  • শ্যামলী পরিবহন

(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল)

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

ময়মনসিংহ থেকে যাওয়ার উপায়

বাস বাস সমূহ:-

  • শান্তি পরিবহণ (শামীম এন্টারপ্রাইজ)

(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল)

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

খুলনা থেকে যাওয়ার উপায়

বাস

খুলনা শহর থেকে খাগড়াছড়িতে যাওয়ার কোনো বাস সার্ভিস নেই। তাই খুলনা থেকে খাগড়াছড়ি যেতে প্রথমে আপনাকে ঢাকা অথবা বরিশাল গিয়ে খাগড়াছড়ির বাসে উঠতে হবে।

ট্রেন

খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

বরিশাল থেকে যাওয়ার উপায়

বাস বাস স্টান্ডসমূহ:-

  • নাটুল্লাবাদ

বাসসমূহ:-

  • শান্তি পরিবহণ
বিমান

খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক।

চট্টগ্রাম থেকে যাওয়ার উপায়

বাস

(কক্সবাজার চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় শহর থেকে কক্সবাজারগামী অনেক লোকাল বাস সহ সারা বাংলাদেশের সকল বাস চট্টগ্রামের উপর দিয়ে যায় বলে অনেক কোচ বাস পাওয়া যায়)

বাস স্টান্ডসমূহ:-

  • দামপাড়া
  • সিনেমা প্যালেস
  • নতুন ব্রিজ
  • চাটগাওন বাস পয়েন্ট
  • ডলফিন চত্তর
  • চিটাগং বাস স্ট্যান্ড
  • অলংকার মোড়
বাস সমূহ:-

  • শান্তি পরিবহণ
  • ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস

মায়ুং কপাল / হাতিমুড়া যেতে হলে প্রথমে খাগড়াছড়ি সদর থেকে পানছড়ি যাওয়ার পথে জামতলীস্থ যাত্রী ছাউনির সামনে নামতে হবে। খাগড়াছড়ি সদর থেকে জামতলী পর্যন্ত গাড়ী ভাড়া জন প্রতি ১৫ টাকা। এরপর জামতলীস্থ যাত্রী ছাউনির বামদিকের রাস্তা ধরে সোজা গিয়ে চেঙ্গী নদী পার হয়ে ডান দিকে স্কুলের রাস্তার দিকে যেতে হবে। স্কুলের নাম পল্টনজয় সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়। ওখানে গিয়ে একটি দোকান পাবেন। দোকানের সামনে দিয়ে ডানের রাস্তা ধরে যেতে হবে। দুটি বাঁশের সাঁকো পার হতে হবে। এরপর ডানদিকে ছড়ার পাশ দিয়ে যে ছোট্ট রাস্তা গেছে, সেটি দিয়ে আরেকটি বাঁশ-গাছের সাঁকো পার হয়ে এবার সোজা পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে। এখানে বগড়া পাড়া নামে একটি পাড়া পড়বে। এরপর সামনে এগুলে বিস্তৃত ছড়া পড়বে। এরপর একটি বড় টিলা পার হতে হবে। এটি পার হলে একটি লোকালয় পাওয়া যাবে, যে এলাকার নাম কাপতলা। এরপর হাতের ডান দিকে নিচু পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে, যেতে যেতে সামনে দুইটি রাস্তা পাওয়া যাবে এবং ডান দিকের রাস্তা ধরে এগুতে হবে। এরপর দেখা মিলবে অসাধারণ মায়ুংকপাল/হাতি মুড়া। সব মিলিয়ে পৌঁছাতে সময় লাগবে ঘন্টা দেড়েক।

যোগাযোগ সম্পর্কিত সকল তথ্য (বুকিং সম্পর্কিত, অফিসে যোগাযোগ সংক্রান্ত ইত্যাদি) সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে।

দেখতে এখানে ক্লিক করুন।


থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা

(থাকা খাওয়ার জন্য খাগড়াছড়ি শহরেই সবরকমের ব্যবস্থা রয়েছে।) এছাড়াও থাকা ও খাওয়া

সম্পর্কিত সকল তথ্য (বুকিং সম্পর্কিত, অফিসে যোগাযোগ সংক্রান্ত ইত্যাদি) সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে।

দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আবাসিক হোটেলসমূহ

জনপ্রিয় হোটেলসমুহ:-

  • খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেল
  • হোটেল ইকো ছড়ি ইন
  • শৈল সুবর্ণ
  • হোটেল হিল টাচ
  • হোটেল মাউন্ট ইন
  • হোটেল নূর
  • গাংচিল আবাসিক
  • অরণ্য বিলাস
  • জিরান হোটেল
  • হোটেল লিবয়ত
  • চৌধুরী বোর্ডিং
  • উপহার হোটেল
  • হোটেল নিলয়
  • হোটেল হিল হেভেন
  • সার্কিট হাউস
  • হোটেল চেংগী
  • হোটেল সিটি পয়েন্ট ইন
  • হোটেল রংধনু
  • হোটেল শিল্পী ইত্যাদি।
রেস্টুরেন্টসমূহ উল্লেখযোগ্য কিছু রেস্টুরেন্ট:-

  • এফএনএফ রেস্টুরেন্ট এন্ড কনভেনশন সেন্টার
  • ইসমাইল হোটেল
  • ব্যাম্বু শুট
  • হিল ফ্লেভারস
  • ফুডাং থাং
  • চাওমিন রেস্টুরেন্ট
  • গাং সাবারাং
  • পাজল ও চিম্বাল রেস্টুরেন্ট
  • গাজী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট
  • মক্কা হোটেল রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানী হাউস
  • শাপলা হোটেল রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানী হাউস
  • মনটানা হোটেল এন্ড কাবাব ঘর

এছাড়াও আরো অনেক নতুন পুরাতন রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য পাহারী খাবারের রেস্টুরেন্ট:-

  • IFC ক্যাফে (Instant Food Cafe)
  • জামতলা রেস্টুরেন্ট
  • ইজোড় রেস্টুরেন্ট
  • নগ্রাই ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট
  • বোম্বে শুট রেস্টুরেন্ট এন্ড ফুড ওয়ার্ল্ড ইত্যাদি।
বি.দ্রঃ সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেক নতুন নতুন থাকার এবং খাওয়ার হোটেল/রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়।

ভ্রমণের সুবিধা হল

  • উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
  • পরিবার/দম্পতি বা বন্ধুদের সাথে উপযুক্ত সময় কাটানোর সুবিধা।
  • সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশ।

পরামর্শ: প্রথমত, গাড়ি বা নৌকা ভ্রমণ, হোটেল বুকিং, খাবার কিংবা কোন কিছু কেনার পূর্বে দর কষাকষিতে সর্বদা সতর্ক থাকবেন। এছাড়াও-

  • প্রয়োজনে ছাতা বা রেইনকোট নিবেন।
  • স্থানীয় গাইডের সাহায্যে পুরো অঞ্চল সুন্দরভাবে ঘুরতে পারবেন।
  • পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু এড়িয়ে চলবেন।

 

দৃষ্টি আকর্ষণযে কোন পর্যটন স্থান আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকবেন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করবেন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতা: হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই উল্লিখিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল নাও থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথাও ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন।

বি.দ্রঃ সকল প্রকার দালাল/প্রতারক থেকে সাবধান। পথে অনেক সাবধানে চলবেন যেন কোনো প্রকার বিপদে না পরেন। যেকোনো সমস্যায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতা নিবেন অথবা বাংলাদেশের জাতীয় জরুরী সেবা – ৯৯৯ এ কল করবেন।


যেকোন তথ্য অথবা ভ্রমণ সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন অথবা কমেন্ট করুন-
ইমেইল[email protected]

নতুন নতুন আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ইউটিউব এবং সোশ্যাল চ্যানেলে-
ইউটিউব – https://www.youtube.com/@BiratBazar
ফেইসবুক – https://www.facebook.com/BiratBazar
→ টুইটার – https://twitter.com/BiratBazar
→ ইন্সটাগ্রাম – https://www.instagram.com/biratbazar/
থ্রেডস – https://www.threads.net/@biratbazar
লিংকড ইন – https://www.linkedin.com/company/biratbazar

Leave a Reply