মায়াবিনী লেক
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি শহর থেকে মাত্র ৩০ মিনিট দূরত্বে পানছড়ি উপজেলার লতিবান ইউনিয়নের ভাইবোন ছড়ার কাংচাইরি পাড়ায় ৪০ একর উঁচু-নিচু পাহাড়ি জায়গায় ১৫ একর নিসর্গময় লেক নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে মায়াবিনী লেক। পর্যটকদের জন্য লেকের মাঝখানে ছোট্ট সুন্দর একটি দ্বীপে গড়ে তোলা হয়েছে একটি বিশ্রামাগার এবং ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে নৌকার ব্যবস্থা। লেকের মাঝে কিছু টিলার অবস্থান রয়েছে। এই টিলা গুলোতেই মূলত তৈরি করা হয়েছে গোলঘর, বিশ্রামাগার। গোলঘর থেকে পাহাড়ে যাওয়ার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বাঁশের সাঁকো। পড়ন্ত বিকেলে লেকের চারিদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি দেখা মেলে ঝাঁকে ঝাঁকে হাস, সাদা বক ও বড় বড় মাছের লাফালাফি।
ইতিহাস
২০১৬ সালে সমিতির মাধ্যমে কংচাইরী পাড়ার একঝাঁক তরুন উদ্যোক্তা শুধু মাছ, হাঁস, মুরগী চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার উদ্যোগে একতা সমিতি নামে একটি সমিতি তৈরী করে। এই একতা মৎস্য সমবায় সমিতির ২৮ সদস্য তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে লেক করার উদ্যোগ নেয় এবং এর নামকরণ করে মায়াবিনী লেক বিনোদন কেন্দ্র। তাঁদের এ উদ্যোগে হাতে বাড়িয়ে দেয় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ। ২০১৬ সালে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে ২২০ ফুট দৈর্ঘ্য একটি বাঁধ করে দেয়। ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য এই লেক খুলে দেওয়া হয়। মূলত পাহাড়ের উঁচুনিচু ভাঁজে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ লেক। টিলা গুলোতে তৈরি করা হয়েছে বিশ্রামাগার। পর্যটকদের ভ্রমণ সুবিধার জন্য যুক্ত করা হয়েছে চারটি নৌকা। আগত পর্যটকদের সুবিধার জন্য পর্যায়ক্রমে মায়াবিনী লেকে নৌকার জায়গায় ‘স্পিড বোট’ যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে উদোক্তারা। এছাড়াও পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ টি প্যাডেল বোট যুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন কমিউনিটি ট্যুরিজমের মাধ্যমে হ্রদ পরিচালনা করে থাকেন।
| কখন যাবেন |
|---|
| বছরের পুরো সময়টা জুড়েই ভ্রমণ পিপাসুদের আনাগোনা এখানে লেগেই থাকে। তবে বর্ষাকালে এ জায়গায় আসা উত্তম। |
| বিশেষ সতর্কতা ও পরামর্শ |
|
|
দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর দূরত্ব
|
|
|
ঢাকা
|
২৮৭ কি.মি. (ঢাকা – চট্টগ্রাম হাইওয়ে হয়ে গেলে)
|
|
রাজশাহী
|
৫৫৪ কি.মি. (যমুনা ব্রিজ – ঢাকা – চট্টগ্রাম হাইওয়ে হয়ে গেলে)
|
|
রংপুর
|
৫৭৯ কি.মি. (যমুনা ব্রিজ – ঢাকা – চট্টগ্রাম হাইওয়ে হয়ে গেলে)
|
|
সিলেট
|
৩৯৮ কি.মি. (ঢাকা – চট্টগ্রাম হাইওয়ে হয়ে গেলে)
|
|
ময়মনসিংহ
|
৩৯০ কি.মি. (ঢাকা – চট্টগ্রাম হাইওয়ে হয়ে গেলে)
|
|
খুলনা
|
৩৭৮ কি.মি. (বাগেরহাট – ঝালকাঠি – বরিশাল – লক্ষ্মীপুর → ফেনী – বারৈয়ার হাট হয়ে গেলে)
|
|
বরিশাল
|
২৭৫ কি.মি. (ভোলা – লক্ষ্মীপুর – কাবিলপুর – ফেনী – বারৈয়ার হাট হয়ে গেলে)
|
|
চট্টগ্রাম
|
১২১ কি.মি. (খাগড়াছড়ি রোড হয়ে গেলে)
|
| মায়াবিনী লেক খাগড়াছড়ি জেলা হওয়ায় আপনাকে আগে খাগড়াছড়ি যেতে হবে। | |
|
ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
ঢাকার বাসস্টান্ড সমূহ:-
|
বাস সমূহ:-
(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল) |
|
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
রাজশাহী থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
বাস স্টান্ডসমূহ:-
বাস সমূহ:-
(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল) |
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
রংপুর থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
বাস স্টান্ডসমূহ:-
বাস সমূহ:-
(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল) |
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
সিলেট থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
বাস স্টান্ডসমূহ:-
বাস সমূহ:-
(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল) |
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
ময়মনসিংহ থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
বাস সমূহ:-
(যাত্রা পূর্বে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন, পরিবহনগুলো আপনার গন্তব্য অবধি যাবে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কেননা সময় পরিবর্তনের সাথে তথ্যগুলোও পরিবর্তনশীল) |
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
খুলনা থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
খুলনা শহর থেকে খাগড়াছড়িতে যাওয়ার কোনো বাস সার্ভিস নেই। তাই খুলনা থেকে খাগড়াছড়ি যেতে প্রথমে আপনাকে ঢাকা অথবা বরিশাল গিয়ে খাগড়াছড়ির বাসে উঠতে হবে। |
| ট্রেন |
খাগড়াছড়িতে কোনো রেলওয়ে স্টেশন নেই। রেলওয়ের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে আপনাকে ফেনীতে নামতে হবে। কিন্তু ফেনী থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
বরিশাল থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
বাস স্টান্ডসমূহ:-
বাসসমূহ:-
|
| বিমান |
খাগড়াছড়িতে কোনো বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ১০৬ কিলোমিটার হওয়ায় বাস সার্ভিস ব্যবহার সুবিধাজনক। |
|
চট্টগ্রাম থেকে যাওয়ার উপায় |
|
| বাস |
(কক্সবাজার চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় শহর থেকে কক্সবাজারগামী অনেক লোকাল বাস সহ সারা বাংলাদেশের সকল বাস চট্টগ্রামের উপর দিয়ে যায় বলে অনেক কোচ বাস পাওয়া যায়) বাস স্টান্ডসমূহ:-
|
বাস সমূহ:-
|
|
|
পর্যটন কেন্দ্রটিতে যেতে পানছড়ি-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পার্শ্বে অবস্থিত ভাইবোন ছড়া বাজারে নামতে হবে। মহাসড়কের পার্শ্বে হওয়ায় শহর থেকেই লোকাল বাস/চান্দের গাড়ি/সিএনজি ট্যাক্সি/মোটরবাইকযোগে সরাসরি আলুটিলা গুহার গেটে যাতায়াত করা যায়। যেহেতু বৌদ্ধ মন্দির, রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা কাছেই। তাই সেভাবেই পরিবহণ ঠিক করা অধিক লাভজনক। খাগড়াছড়ি থেকে ভাইবোন ছড়া বাজারের দূরত্ব ১৫ কি.মি। ভাইবোন ছড়া বাজার থেকে পশ্চিম দিকে ৫ মিনিট হাটলেই কাংচাইরী পাড়া। এখানেই মায়াবিনী লেক। হেঁটে না যেতে চাইলে রিকশা করেও মায়াবিনী লেক যাওয়া যায়। [২০২৬ সালের রেকর্ড অনুযায়ী রিকশা ভাড়া ১০ টাকা।] যোগাযোগ সম্পর্কিত সকল তথ্য (বুকিং সম্পর্কিত, অফিসে যোগাযোগ সংক্রান্ত ইত্যাদি) সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে। |
|
|
থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা |
|
|
(থাকা ও খাওয়ার জন্য খাগড়াছড়ি শহরেই সবরকমের ব্যবস্থা রয়েছে।) এছাড়াও থাকা ও খাওয়া সম্পর্কিত সকল তথ্য (বুকিং সম্পর্কিত, অফিসে যোগাযোগ সংক্রান্ত ইত্যাদি) সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে। |
|
| আবাসিক হোটেলসমূহ |
জনপ্রিয় হোটেলসমুহ:-
|
| রেস্টুরেন্টসমূহ |
উল্লেখযোগ্য কিছু রেস্টুরেন্ট:-
এছাড়াও আরো অনেক নতুন পুরাতন রেস্টুরেন্ট রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পাহারী খাবারের রেস্টুরেন্ট:-
⚡শহরের পানখাইয়াপাড়া ও মহাজন পাড়া এলাকায় বেশকিছু আদিবাসী খাবারের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। |
| বি.দ্রঃ সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেক নতুন নতুন থাকার এবং খাওয়ার হোটেল/রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়। | |
ভ্রমণের সুবিধা হল–
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- পরিবার/দম্পতি বা বন্ধুদের সাথে উপযুক্ত সময় কাটানোর সুবিধা।
- সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশ।
পরামর্শ: প্রথমত, গাড়ি বা নৌকা ভ্রমণ, হোটেল বুকিং, খাবার কিংবা কোন কিছু কেনার পূর্বে দর কষাকষিতে সর্বদা সতর্ক থাকবেন। এছাড়াও-
- প্রয়োজনে ছাতা বা রেইনকোট নিবেন।
- স্থানীয় গাইডের সাহায্যে পুরো অঞ্চল সুন্দরভাবে ঘুরতে পারবেন।
- পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু এড়িয়ে চলবেন।
দৃষ্টি আকর্ষণ: যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকবেন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করবেন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতা: হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই উল্লিখিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল নাও থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথাও ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন।
বি.দ্রঃ সকল প্রকার দালাল/প্রতারক থেকে সাবধান। পথে অনেক সাবধানে চলবেন যেন কোনো প্রকার বিপদে না পরেন। যেকোনো সমস্যায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতা নিবেন অথবা বাংলাদেশের জাতীয় জরুরী সেবা – ৯৯৯ এ কল করবেন।
যেকোন তথ্য অথবা ভ্রমণ সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন অথবা কমেন্ট করুন-
→ ইমেইল – [email protected]
|
অন্যান্য দর্শনীয় স্থানসমূহ
|
|
১। মাতাই পুখিরি ২। হাজাছড়া ঝর্ণা ৩। হাতিমাথা ৪। আলুটিলা গুহা ৫। ঝুলন্ত ব্রিজ ৬। রিসাং ঝর্ণা ৭। হাজাছড়া ঝর্ণা ৮। হাতিমাথা ৯। আলুটিলা গুহা |

